ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দালাল সন্দেহে মাসুম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হলেও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পর কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হাসপাতালের ভেতরে দালালির অভিযোগে মাসুমকে আটক করে পুলিশ বক্সে নেওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য উপস্থিত হন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি রাশেদুল হক সজীব।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসুম দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল এলাকায় দালাল হিসেবে পরিচিত। হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অনেকের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ। এমন অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা।
তবে এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদুল হক সজীব জানান, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় মাসুমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি তাঁর বোনকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। কাউকে সরাসরি অপরাধ করতে না দেখলে আইনগতভাবে শাস্তি দেওয়া সম্ভব নয়। তবে তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন ছিল। তাঁদের আশঙ্কা, যথাযথ তদন্ত ও নজরদারি না থাকলে হাসপাতালকেন্দ্রিক দালাল চক্রের তৎপরতা বন্ধ করা কঠিন হবে।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের হয়রানি এবং দালাল চক্রের তৎপরতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং হাসপাতাল এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
