ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মজলিশপুর গুদারাঘাট থেকে আমিরপাড়া পর্যন্ত তিতাস নদীর ওপর একটি ব্রিজের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
বিশেষ করে উর্বর ‘দত্ত খোলা চরে’ হাড়ভাঙা পরিশ্রমে ফসল ফলিয়েও তা ঘরে তুলতে দুশ্চিন্তায় দিন কাটে স্থানীয় কৃষকদের।
মজলিশপুর, ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার হাজারো কৃষক প্রতিদিন তিতাস নদী পার হয়ে ওপাড়ে চাষাবাদ করতে যান। দত্ত খোলা, রাক্ষাল মুড়ি, ইসলামপুর, মনিপুর, দারমা, মৈন্দ, বাড়িউড়া ও নোয়াগাঁও চরাঞ্চলের প্রধান ফসল ধান। তবে স্থায়ী কোনো ব্রিজ না থাকায় উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিতে কৃষকদের গুনতে হয় অতিরিক্ত পরিবহন খরচ।
ফলে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে লাভের চেয়ে লোকসানের পাল্লাই দিন দিন ভারী হয়ে উঠছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন অন্তত হাজারো মানুষ এই ঘাট দিয়ে পারাপার করেন। কিন্তু তিতাস নদীতে অতিরিক্ত ফেনা জমে থাকার কারণে নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, ফলে যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। অসুস্থ রোগী কিংবা শিক্ষার্থীদের জন্য নদী পার হওয়া যেন এক বিভীষিকায় পরিণত হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নৌকায় পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এলাকাবাসীর দাবি, মজলিশপুর গুদারাঘাটে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলে চরাঞ্চলের কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে এবং কৃষকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে।
দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কয়েক হাজার কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের মুখে হাসি ফেরাতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা
