মোছাব্বির হাসান সজীব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
সৌদি আরব প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানবীর হিসেবে পরিচিত হাজী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় স্থানীয়দের মধ্যে তিনি পরিচিত মুখ। বিশেষ করে তরুণদের কাছে তিনি একজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আখাউড়া পৌর এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে হাজী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া ব্যক্তিগত অর্থায়নে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।
মেয়র প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে হাজী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, “আখাউড়া পৌরসভা দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। আমি আখাউড়া পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা এবং পৌরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
তিনি বলেন, পৌরবাসীর মতামত ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ও জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিচ্ছন্নতা, সড়কবাতি, নাগরিক সেবা সহজীকরণসহ পৌর এলাকার মৌলিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
হাজী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া আরও বলেন, “আমি মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে আখাউড়ার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। পৌরসভাকে শুধু অবকাঠামোগতভাবে নয়, নাগরিক সেবার ক্ষেত্রেও একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। পৌরবাসীর কাছে জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব পৌরসভা প্রতিষ্ঠাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তাঁর প্রত্যাশা, দল-মত নির্বিশেষে আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও বাসযোগ্য পৌরসভা গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য তিনি পৌরবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করেও এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ধরে রাখা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করায় হাজী সালাউদ্দিন ভূঁইয়ার প্রতি অনেকের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। এখন মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাঁর এই ঘোষণাকে ঘিরে পৌর এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা।
