নিজস্ব প্রতিবেদক
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ঢাকায় যোগ দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কমপক্ষে ২০ হাজার নেতা–কর্মীর প্রস্তুতি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সারা দেশের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বইছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার ঢেউ। এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে জেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে অন্তত ২০ হাজার নেতা–কর্মীকে ঢাকার ৩০০ ফিট এলাকায় অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশস্থলে উপস্থিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যেই জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে এর প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। কেউ সড়কপথে বাস, ট্রাক, হাইএস ও মোটরযানে করে, আবার কেউ রেলপথে ট্রেনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের জন্য দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে স্থানীয় ও তৃণমূল নেতাদের মধ্যে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নতুন উচ্ছ্বাস ও আশার সঞ্চার। অনেকেই মনে করছেন, এই প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ওয়ার্ডে ইতোমধ্যেই মাইকিং, পোস্টারিং, ব্যানার-ফেস্টুনসহ নানা প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলছে। তরুণ কর্মীদের অংশগ্রহণও এবার বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। সাধারণ সমর্থকরাও এতে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
এদিকে এত বিপুল সংখ্যক নেতা–কর্মীর ঢাকামুখী যাত্রাকে ঘিরে পরিবহন ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। যাত্রাপথে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সবাইকে ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অনেক নেতা–কর্মী জানিয়েছেন, তারা ব্যক্তিগত খরচে ও স্বেচ্ছায় এই কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন। তাদের ভাষায়, “এটা শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং দলের প্রতি ভালোবাসা ও অঙ্গীকারের প্রকাশ।”
