বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: জনভোগান্তি কমানো ও উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিজয়নগরে গিয়ে প্রকল্পের চেক বিতরণ করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজে অনিয়ম, গাফিলতি কিংবা নিম্নমানের কাজ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় বিজয়নগর ও বুধন্তী ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সভাপতি ও প্রতিনিধিদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাদির মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম।
প্রশাসক বলেন, চেক সংগ্রহ করতে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জেলা পরিষদ কার্যালয়ে যেতে হতো। এতে সময়, যাতায়াত খরচ ও শারীরিক কষ্টের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি সরাসরি প্রকল্প এলাকায় এসে চেক হস্তান্তরের উদ্যোগ নিয়েছেন।
মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের উন্নয়নকাজের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের কাজ সদকায়ে জারিয়া। তাই বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করতে হবে। কাজের মান নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন। কোনো ধরনের অনিয়ম, গাফিলতি কিংবা নিম্নমানের কাজ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) প্রতিনিধিদের শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে বিজয়নগর ও বুধন্তী এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সরেজমিনে তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে উন্নয়নকাজের মান বজায় রাখাও সহজ হবে।
