নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার কারণ জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন। ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
ভোট না দেওয়ার বিষয়ে রুমিন ফারহানা গণমাধ্যমকে বলেন, “এই নির্বাচন অর্থহীন এবং প্রহসনের। কারণ, ভোটে অনিশ্চয়তা না থাকলে সেটা কোনো নির্বাচন নয়।” তাঁর দাবি, ফলাফল আগে থেকেই সবার জানা থাকায় এটি প্রকৃত অর্থে নির্বাচন নয়, বরং মনোনয়ন প্রক্রিয়া।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, এত বড় গণ-অভ্যুত্থানের পর কেন একজন অরাজনৈতিক ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করা হলো না।
এ ছাড়া সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
📌 ভোট দেননি আরও ৫ সংসদ সদস্য
রুমিন ফারহানা ছাড়াও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি আরও পাঁচ সংসদ সদস্য। তারা হলেন—বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা, বিএনপির ওসমান ফারুক, খেলাফত মজলিসের আবুল হাসান এবং জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রুমিন ফারহানার এই অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
