অদম্য পরিশ্রম, দৃঢ় মনোবল আর অটুট স্বপ্ন—এই তিনের সমন্বয়ে সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জল্লী গ্রামের সন্তান আব্দুল করিম। ৪৭তম বিসিএসে তিনি শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে নিজের স্বপ্নপূরণ করেছেন।
চাকরি, সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব সামলেও নিরলস অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এ অর্জন সম্ভব করেছেন তিনি, যা অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আব্দুল করিমের বাবা আবুল কাশেম। তিনি দরিকান্দি-বাড্ডা আছমাতুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১২ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
শিক্ষাজীবন শেষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি জনতা ব্যাংকে চাকরি করেন। বর্তমানে তিনি অগ্রণী ব্যাংকের সলিমগঞ্জ শাখায় কর্মরত রয়েছেন।
জানা যায়, ৪৫তম বিসিএসে তিনি নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে সেখানে থেমে না থেকে ক্যাডার হওয়ার স্বপ্নকে লালন করে যান। চাকরি ও পারিবারিক ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিতভাবে বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যান।
তার সেই নীরব সাধনা, কঠোর পরিশ্রম এবং অবিচল মনোযোগই অবশেষে এনে দিয়েছে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
এক কন্যা সন্তানের জনক আব্দুল করিমের এই অর্জনে উচ্ছ্বসিত তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের মাধ্যমে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুনাম আরও উজ্জ্বল করবেন।
এই সাফল্য প্রমাণ করে—পরিশ্রম, ধৈর্য আর ইচ্ছাশক্তি থাকলে স্বপ্ন অবশ্যই বাস্তবে রূপ নেয়।
