ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকায় ঈদে মিলাদুন্নবীকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় ও বহসের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শক্রমে গত ২৩ আগস্ট উভয় পক্ষের আলেমদের এই বহসে অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ই রবিউল আউয়াল, বুধবার নোয়াগাঁও প্রাইমারি স্কুল মাঠে এই বহস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উভয়পক্ষ থেকে ৫ জন করে আলেম উপস্থিত থাকার কথা ছিল এবং শর্ত অনুযায়ী নোয়াগাঁও এলাকার স্থানীয় হুজুর বা এলাকায় খেদমতরত হুজুররাই এতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
নির্ধারিত সময়ে নোয়াগাঁও উলামা তলাবার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ৫ জন আলেম—
- মুফতি মারুফ খান জাহেদী
- মাওলানা জসিম উদ্দিন আরজী
- মাওলানা সিরাজুল ইসলাম
- মাওলানা বজলুর রহমান মাজেদী
- মাওলানা বদরুল আলম উসামা
তবে নির্ধারিত সময়ে স্থানীয় সুন্নি হুজুররা উপস্থিত হননি বলে জানিয়েছেন কওমী আলেমরা। তাদের ভাষ্যমতে, ১২ই রবিউল আউয়াল বসার কথা থাকলেও সুন্নি পক্ষের হুজুররা তাতে অংশ না নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে উপস্থিত কওমী আলেমরা বলেন, “আমরা মুরব্বিদের নির্দেশকে সম্মান জানিয়ে আজকের এই বহসে অংশগ্রহণ করেছি। এলাকায় প্রচলিত ফেতনা-ফ্যাসাদ ও বিদআত দূর করার লক্ষ্যেই আজ আমরা উপস্থিত হয়েছি, যাতে সহজ সমাধানের মাধ্যমে মানুষ হক বুঝে আমল করতে পারে।”
স্থানীয়রা জানান, পূর্বে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ীই আজকের এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সুন্নি আলেমদের কেউ উপস্থিত না হওয়ায় স্থানীয়দের ধারণা, তারা হয়তো নিজেদের অবস্থানে সঠিক ছিলেন না, অথবা এ বিষয়ে পর্যাপ্ত ইলম না থাকার কারণেই তারা বহসে অংশ নিতে আসেননি।
