পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, গত ১৫ বছর ফ্যাসিস্টরা সংবাদপত্রের গলাটিপে ধরেছিল। তারা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা ধরনের চেষ্টা ও কৌশল অবলম্বন করেছে। তবে বর্তমান সরকারের সময়ে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও সংবাদ পরিবেশন করতে পারছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সদরে বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, বিগত ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ সময়ে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকেও বাংলাদেশ ৪৪ ধাপ পিছিয়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করতে আইনি, প্রশাসনিক ও পরোক্ষ বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার ও গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।
প্রেসক্লাবের নতুন ভবন নির্মাণে জমি দেওয়ার প্রসঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রকাশক ও বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী বলেন, ১৯৯৫ সালে কয়েকজন সংবাদকর্মী তার মাধ্যমে প্রেসক্লাবের জন্য জায়গার আবেদন করেছিলেন। পরে ছয় শতক জায়গা কেনার জন্য সহায়তা করা হয়।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর পর হলেও সেখানে একটি ভবন নির্মিত হয়েছে। জায়গাটি কাজে লেগেছে এবং সংবাদকর্মীদের জন্য নতুন একটি ঠিকানা তৈরি হয়েছে।
বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামিম শিবলীর সঞ্চালনায় এবং মোল্লা মোহাম্মদ নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক এমপি এমএ খালেক পিএসসি, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি একেএম মুছা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, সাবেক ভিপি ও জেলা বিএনপির সদস্য নাজমুল হক, ভিপি আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দুধ মিয়া মাস্টারসহ অন্যরা।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন মোল্লা।
