মোছাব্বির হাসান সজীব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে আলোচনায় রয়েছেন নারী নেত্রী মোছাম্মৎ লাকি আক্তার। এলাকার বিভিন্ন জনসমস্যা, দরিদ্র মানুষের সহায়তা, নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে স্থানীয়দের প্রশংসা অর্জন করেছেন তিনি।
নবীনগর উপজেলার ভোলাচং গ্রামের মরহুম আব্দুর রউফ মাস্টার ও রেহানা বেগমের কন্যা লাকি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্থানীয়দের মতে, কোনো এলাকায় জনভোগান্তির খবর পেলেই তিনি সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অর্থাভাবে বিয়ে আটকে থাকা, পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, অসচ্ছল ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসায় সহযোগিতা, নারী নির্যাতন ও সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ, মাদক, সন্ত্রাস এবং ইভটিজিং প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনাসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে নিয়মিত কাজ করছেন লাকি আক্তার।
সম্প্রতি অতিবৃষ্টিতে নবীনগরের কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে নিজ উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ, ড্রেন পরিষ্কার এবং ড্রেন সংস্কারের উদ্যোগও নেন তিনি। এসব কার্যক্রম স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও সক্রিয় লাকি আক্তার বর্তমানে নবীনগর পৌরসভা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি পৌর মহিলা দলের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং নবীনগর পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রতিবেদকের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে লাকি আক্তার বলেন, নবীনগর পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের নারায়ণপুর দক্ষিণ, সোহাতা, ডোলাবাড়ি, ভোলাচং, চৌধুরীপাড়া, পশ্চিমপাড়া, কর্মকারপাড়া ও রুদ্র কুমারপাড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং ভাঙাচোরা সড়কের কারণে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগে রয়েছেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনস্বার্থে এসব এলাকায় দ্রুত ড্রেন নির্মাণ, সংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নানের আন্তরিক হস্তক্ষেপে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে আমি আশাবাদী।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ সমস্যার সমাধান হবে এবং পৌর এলাকার মানুষের দৈনন্দিন দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।
