ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: যে বয়সে বই-খাতা হাতে স্কুলে যাওয়ার কথা, বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে ছুটে বেড়ানোর কথা—সেই বয়সেই বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে ঘরবন্দি ৯ বছরের শিশু জিদনী। জন্মের পর থেকেই তার বাম হাত অস্বাভাবিকভাবে ফুলে বড় হয়ে গেছে। বর্তমানে অর্থের অভাবে বন্ধ রয়েছে তার চিকিৎসা। মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তার বাবা-মা।
জিদনী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামের ভ্যানচালক দানু মিয়ার দ্বিতীয় কন্যা। জীবিকার তাগিদে স্ত্রী ও চার মেয়েকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা চকলেট ফ্যাক্টরি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জন্মের পর থেকেই জিদনীর বাম হাতে অস্বাভাবিক ফোলাভাব দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হাতটি ফুলে বিশাল আকার ধারণ করে। চিকিৎসকদের ধারণা, তার হাতে ‘নিউরোফাইব্রোমাটোসিস’ অথবা ‘ভাস্কুলার ম্যালফরমেশন’-এর মতো বিরল রোগের লক্ষণ রয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করা না হলে তার হাতের অবস্থা আরও জটিল হতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
জিদনীর চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এতে পরিবারের প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ সম্পন্ন করতে আরও প্রায় ৩ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু ভ্যানচালক বাবা দানু মিয়ার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অর্থের অভাবে বর্তমানে জিদনীর চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে।
অসুস্থতার কারণে জিদনী স্বাভাবিকভাবে স্কুলে যেতে পারে না। অন্য শিশুদের মতো খেলাধুলা কিংবা স্বাভাবিক জীবনযাপনও তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। বয়সের সঙ্গে বেড়ে ওঠার বদলে প্রতিনিয়ত তাকে লড়তে হচ্ছে অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার সঙ্গে।
জিদনীর বাবা দানু মিয়া মেয়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তার ভাষ্য, সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও বর্তমানে অর্থের অভাবে মেয়ের চিকিৎসা থেমে গেছে।
যেভাবে সহযোগিতা করবেন
সহায়তা গ্রহণকারী: দানু মিয়া
বিকাশ/নগদ: ০১৭২২-১৯৬২৫৫
অ্যাকাউন্টের ধরন: পার্সোনাল
জিদনীর চিকিৎসায় সহযোগিতার পাশাপাশি মানবিক আবেদনটি বেশি বেশি শেয়ার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একটি শেয়ারও হয়তো এমন কোনো সহৃদয় মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে, যার সহযোগিতায় জিদনীর চিকিৎসা আবারও শুরু হতে পারে।
বিঃদ্রঃ জিদনীর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত ডকুমেন্টস কমেন্ট বক্সে দেওয়া হয়েছে।
অনুরোধক্রমে:
ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান,
Brahmanbaria Batighar – ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর
মোবাইল: ০১৭৯৮-০৯১৭২১
