মোহাম্মদ অলিউল্লাহ খান
বিশেষ প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ:
তারিখ: ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ (মঙ্গলবার)
মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মা ইলিশ ও দেশীয় প্রজাতির মাছের অবাধ প্রজনন নিশ্চিত করতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে নৌ পুলিশ।
কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এসব অভিযানে সর্বমোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ করা হয়েছে।
গত সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দুবাজাইল দ্বীপের মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৬,০০০ মিটার বা প্রায় ৩০,০০০ বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে নৌ পুলিশ, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।
কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সরাইল নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান সফলভাবে পরিচালিত হয়।
নদীতে অবৈধ জাল ও মাছের নিধন রোধে তাঁর এই তৎপরতা স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হয়েছে। অভিযান শেষে সরাইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্ধারকৃত অবৈধ কারেন্ট জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানাধীন মেঘনা নদীর হাজ্বীর চর নামক স্থানে কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে আরেকটি সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে ২০টি চায়না দুয়ারী রিং জাল উদ্ধার করা হয়, যার পরিমাণ ৩৬০ মিটার ও ১,৪৪৪০ বর্গমিটার এবং আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার টাকা।
পরবর্তীতে বাজিতপুর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার নির্দেশে এই জালগুলোও আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
নৌ পুলিশ জানিয়েছে, মেঘনা নদীতে মাছের অবাধ প্রজনন নিশ্চিত করা এবং দেশীয় প্রজাতির মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরাইল ও বাজিতপুরসহ মেঘনার বিভিন্ন পয়েন্টে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অবৈধ জালের ব্যবহার রোধে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার এবং আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
