ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের যমুনা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও মারধরের অভিযোগের ঘটনায় এবার হাসপাতালের বর্তমান দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন রিসেপশনিস্ট তাসলিমা বেগম। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
তাসলিমা বেগম বলেন, “হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও মালিকপক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। আমি নারী হওয়ায় সহজেই আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনার সময় কয়েকজন মিলে আমাকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে আমিও মানসিকভাবে চাপে পড়ে যাই।”
তিনি আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া বিভিন্ন তথ্য ও ভিডিওর অনেক অংশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে। পুরো ঘটনার সঠিক তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এর আগে হাসপাতালের ফার্মেসি মালিক জামাল মিয়া ও তার ভাগিনাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তাসলিমার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষ থানায় অভিযোগ দেয়। ঘটনাটির কিছু অংশ সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে বলেও জানা যায়।
এদিকে হাসপাতাল সূত্র জানায়, সম্প্রতি পরিচালনা কমিটিতে পরিবর্তনের পর থেকেই হাসপাতালের ভেতরে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
অন্যদিকে, হাসপাতালের সাবেক এমডি জুলফিকার আলীও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হচ্ছে।”
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, উভয় পক্ষের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
