ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরা এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক অ্যাম্বুলেন্স চালকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী হাসান মোল্লা।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স রাখাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আজিজ সরকারের সঙ্গে হাসান মোল্লার কথা কাটাকাটি হয়। পরে প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে তিনি বাড়িতে চলে যান।
অভিযোগে বলা হয়, কিছুক্ষণ পর নাহিদ সরকারের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হাসান মোল্লার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করা হয়। হামলায় হাসান মোল্লাসহ ওয়াসিম, শাকিল মোল্লা, মাসুক, শরুফা বেগম ও তানিয়াসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
ভুক্তভোগীর দাবি, হামলাকারীরা বসতঘরে ঢুকে নগদ প্রায় ৩ লাখ টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া ঘরের আসবাবপত্র, মুদি দোকান ও খাবারের হোটেলে ভাঙচুর চালিয়ে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়।
মামলার এক নম্বর আসামি নাহিদ সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলে জানাগেছে, স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন।
এদিকে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পুলিশ জানায়, লিখিত অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
