বিশেষ প্রতিবেদন | ৫ জুলাই, ২০২৬ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুর এলাকায় এক সিএনজি অটোরিকশা চালকের বিরুদ্ধে যাত্রীর সঙ্গে অসদাচরণ ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জুলাই, বাড়িউড়া থেকে সুহিলপুর আসার পথে।
ভুক্তভোগী নাঈম আহমেদের অভিযোগ অনুযায়ী, গন্তব্যে পৌঁছানোর পর যেখানে স্বাভাবিক ভাড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা হওয়ার কথা, সেখানে চালক ৬০ টাকা দাবি করেন। ভাড়ার এ অযৌক্তিক পার্থক্যের কারণ জানতে চাইলে চালক উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে, একপর্যায়ে যাত্রী প্রতিবাদ করলে চালক তার হাতে থাকা ১০০ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অভিযুক্ত সিএনজির নম্বর—ব্রাহ্মণবাড়িয়া-থ ১১-১৬৩৭।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনা সমাজে আইনের শাসনের জন্য একটি অশনি সংকেত। অপরাধ বিজ্ঞানের বহুল আলোচিত “Broken Windows Theory” অনুযায়ী, ছোট অপরাধকে অবহেলা করলে তা ধীরে ধীরে বড় অপরাধে রূপ নেয়। ফলে এমন ঘটনার দ্রুত ও কঠোর প্রতিকার না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
আইন বিশ্লেষকদের মতে, অভিযুক্ত চালকের কর্মকাণ্ড সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর একাধিক ধারা লঙ্ঘনের পাশাপাশি দণ্ডবিধির আওতায়ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সচেতন মহল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত চালকের দ্রুত গ্রেফতার ও তার ড্রাইভিং লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ কমে আসবে।
প্রশ্ন থেকে যায়—পথে ঘাটে আমরা কতটা নিরাপদ?
আপনার মতামত কী? আপনার সাথেও কি এমন কোনো অভিজ্ঞতা হয়েছে?
