যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুড়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১,১৭৪টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই ঈদগাহ ও মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ঈদের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানিতে অংশ নেন। তবে কোরবানির মাংস প্রস্তুতের সময় অসাবধানতাবশত দা, ছুরি ও চাপাতির আঘাতে জেলা জুড়ে শতাধিক মানুষ আহত হন। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, আহতদের বেশিরভাগের হাত ও পায়ের আঙুলে আঘাত লেগেছে, তবে কারো অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।
এদিকে সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় ঈদে পশুর চামড়া পাচার রোধে আখাউড়া, কসবা ও বিজয়নগর সীমান্তে বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়।
পশু কোরবানির পরপরই শহরের বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য অপসারণে মাঠে নামে পৌরসভা ও স্থানীয় প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। দ্রুত বর্জ্য পরিষ্কার ও জীবাণুনাশক ছিটানোর কাজ চলতে দেখা যায়।
সবমিলিয়ে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পবিত্র ঈদুল আজহার উদযাপন সম্পন্ন হয়েছে।
